‘ক্ষুদে বিজ্ঞানী ‘শাওনের’ হোভারক্রাফট আবিষ্কার!

Spread the love

মহিপুরে সি-প্লেনের আ’দ’লে তৈরি করা হয়েছে হোভারক্রাফট। যা নদীপথে চলবে জ্বালানি তেলবিহীন। সৌর বিদ্যুতের সহায়তায় ঘণ্টায় প্রায় ৪০ কি’লো’মি’টা’র বেগে ছুটবে এটি। মহিপুর সদর ইউনিয়নের মোয়াজ্জেমপুর গ্রামের মাদরাসা শি’ক্ষ’ক নাসির উদ্দিনের ছেলে শাওন।

বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ প্ল্যানেটর কলেজের রোবোটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। ছো’ট’বে’লা থেকেই তিনি একের পর এক প্রযুক্তি আবিষ্কার করছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্পূর্ণ ফা’ই’ভা’র ও অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এর অবকাঠামো।

যা জ্বালানি তেলবিহীন সম্পূর্ণ সোলার সিস্টেমে তিনজন যাত্রী নিয়ে ন’দী’প’থে চলতে পারবে। এছাড়াও হোভারক্রাফটিতে ব্যবহার করা হয়েছে আধুনিক সব প্র’যু’ক্তি। ক্ষুদে বিজ্ঞানী মাহবুবুর রহমান শাওন ২০১৮ সালে জ্বালানি ও চালকবিহীন গাড়ি ও বাতাসের সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ বেশ কিছু প্র’যু’ক্তি আবিষ্কার করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। ২০১৯ সালে হোভারক্রাফট আবিষ্কারের চিন্তা মা’থা’য় আসে।

পরে তার বাবার সহায়তায় সি-প্লেনের আদলে হোভারক্রাফট আবিষ্কারে সফল হন। ক্ষুদে বি’জ্ঞা’নী মাহবুবুর রহমান শাওন বলেন, দীর্ঘ নয় মাস দিন-রাত কঠোর পরিশ্রমের পর হোভারক্রাফট তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি। আমার বাবা আ’মা’কে উৎসাহ যুগিয়েছেন। এটার এখন লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি দরকার। যেটা পার্শ্ববর্তী দেশ ভা’র’ত থেকে আমদানি করতে হবে এবং ইতোমধ্যে অর্ডার করা হয়েছে।

বর্তমানে হোভারক্রাফটি কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের বিনোদনে ব্যবহার ক’র’তে চাই। তবে সরকারি সহায়তা পেলে এটি বাণিজ্যিকভাবে তৈরি করা সম্ভব। হোভারক্রাফট তৈ’রি’তে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪ লাখ টাকা। ওই এলাকায় হাইভোল্টেজ ব্যাটারি না থাকায় বর্তমানে এটি ইঞ্জিনের মাধ্যমে চলছে। মোয়াজ্জেমপুর গ্রা’মে’র বাসিন্দা মানিক মিয়া জানান, হোভারক্রাফটি শাওন আমাদের চালিয়ে দেখিয়েছে।

আ’ম’রা একসঙ্গে চারজন এটিতে উঠেছি। নদীপথে চলতে বেশ ভালো লেগেছে। আরেক বাসিন্দা রহিম মিয়া জানান, শাওন একটার পর এ’ক’টা নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার করেই চলছে। এই ক্ষুদে বিজ্ঞানী আমাদের এলাকার গর্ব। আ’ম’রা চাই শাওনের তৈরি হোভারক্রাফট সরকারি সহায়তার মাধ্যমে সারা বিশ্বে পৌঁছে যাক।

কলাপাড়া সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস ক’লে’জে’র পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ইউসুফ আলী বলেন, শাওনের আবিষ্কারগুলো স’ত্যি’ই প্রশংসনীয়। তাকে উচ্চতর প্রশিক্ষণ দিলে সে আরও ভালো কিছু ক’র’তে পারবে। কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মো. শ’হি’দু’ল হক সাংবাদিকদের জানান, ক্ষুদে বিজ্ঞানী শাওনের আগেও বেশ কিছু প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছে। তার সকল উদ্ভাবন প্রশংসনীয়। তাকে উ’প’জে’লা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল ধরনের সহায়তা করা হবে বলে জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *